ভিডিওটি প্রথম ফেসবুকে পোস্ট করেন আবিদুর রহমান মিশু, যিনি মাস্টারদা সূর্য সেন হল শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব। তার দাবি অনুযায়ী, ওই কিশোররা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় খেলতে ঢুকেছিল বলেই তাদের এভাবে “শাস্তি” দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি নজরে নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. সাইফুদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, তিনি ভিডিওটি দেখেছেন এবং শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের পরিচালকের সঙ্গে কথা বলেছেন। পাশাপাশি সর্বমিত্র চাকমার কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। প্রক্টরের ভাষায়, “তাকে অবশ্যই এই ঘটনার একটি ব্যাখ্যা দিতে হবে।”
ঘটনাটি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের বক্তব্য, কোনো কিশোর বা বহিরাগত কেউ নিয়ম ভাঙলে তার বিচার করার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের—কোনো ছাত্রনেতার নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়ার অধিকার নেই। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এ বিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও সর্বমিত্র চাকমার কাছ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
Source: the business standard.
Leave a Reply